ধনদেবী লক্ষ্মী পূজার প্রস্তুতি সকল ত্রিপুরাবাসীর ঘরে ঘরে!
ত্রিপুরা,বিক্রম কর্মকার:- ধনদেবী লক্ষ্মীপুজোর প্রস্তুতি সকল ত্রিপুরাবাসীর ঘরে ঘরে ! লক্ষ্মীপুজোর বাজারে জিনিসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে নাভিশ্বাস সাধারণ মানুষের! জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রিয় উৎসব দুর্গাপুজো সবেমাত্র সম্পন্ন হয়েছে। দুর্গাপুজোর রেশ কাটতে না কাটতেই ধনের অধিষ্ঠাত্রী দেবী লক্ষ্মী মায়ের পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। আজ ৬ অক্টোবর কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর প্রস্তুতি চলছে সকল ত্রিপুরাবাসীর ঘরে ঘরে। পরিবারে ধন সম্পদ বৃদ্ধির জন্য এবং সুখ শান্তির জন্য সকল মানুষ ধনদেবী লক্ষ্মী মায়ের পুজোর্চনা করে থাকেন। বিশেষ করে বাড়ির গৃহবধূরা এই ধনদেবী লক্ষ্মী পুজোয় খুব আগ্রহী।
লক্ষ্মী পুজোকে কেন্দ্র করে আজ সকল থেকেই জমে উঠেছে বাজার। আগরতলা শহরের প্রত্যেকটি জায়গায় ছোট আকারের লক্ষ্মী প্রতিমা বিক্রি হয়েছে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা। মাঝারি আকারের প্রতিমা বিক্রি হয়েছে ১০০০ টাকা থেকে ১৫০০ হাজার টাকা। বড় আকারের প্রতিমা বিক্রি হয়েছে ২ থেকে ৫ হাজার টাকা। আগরতলা শহরের সর্বত্র বাজারগুলিতে লক্ষ্মী পুজোর বিভিন্ন উপকরণ নিয়ে হাজির ছিলেন ব্যবসায়ীরা ও। বাজারে বিল্বপত্র,আমকাঠ, আমপাতা, কলা গাছের বাকল ইত্যাদি বিক্রি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা ফল থেকে শুরু করে অন্যান্য উপকরণের দাম অনেক বেশি আদায় করছেন এই অভিযোগ পুজো উদ্যোক্তাদের।
বাজারে সবরি কলা বিক্রি হয়েছে এক একটি ২০ থেকে ৩০ টাকা দরে। সমাই কলা বিক্রি হয়েছে প্রতি কুড়ি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। চাঁপা কলা বিক্রি হয়েছে প্রতি কুড়ি ১২০ থেকে ১৫০ টাকা। আখ প্রতিটি বিক্রি হয়েছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা দরে। নারিকেল বিক্রি হয়েছে প্রতিটি ৬০ থেকে ৮০ টাকা দরে। লক্ষ্মী পুজোকে কেন্দ্র করে আগরতলা মহারাজগঞ্জ বাজার, বটতলা বাজার, লেইক চৌমুহনি বাজার, মঠ চৌমুহনি বাজারে ক্রেতাদের ভিড় ছিল লক্ষ্যণীয়। সব মিলিয়ে ধনদেবী লক্ষ্মী পুজোর আনন্দে মেতে উঠেছেন সকল ত্রিপুরাবাসী।
Leave a Reply